মাদারীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৫ এপ্রিল, ২০২৪, ০৫:৫৫ এ এম

অনলাইন সংস্করণ

মাদারীপুরে বসতঘর ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন

ছবি: রূপালী বাংলাদেশ

মাদারীপুর সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের মাদ্রা ও হোগলপাতিয়া এলাকায় অন্তত ১৫টি বসতঘর, মুদি দোকান ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় তদন্তসাপেক্ষে সুষ্ঠু বিচারের দাবী জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে এলাকাবাসী। রবিবার (১৪) দুপুরে মাদ্রা এলাকার ফারুক হাওলাদারের নিজ বাড়িতে এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সংবাদ সম্মেলন শেষে অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করে এলাকাবাসী।

ফারুক হাওলাদারের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মিরাজ খান জানান, গেল সংসদ নির্বাচনে ঈগল প্রতীকের নির্বাচন করায় সন্ত্রাসী রুবেল খান ও সোহেল খান গংদের পৃষ্ঠপোষক একাধিক মামলার আসামী সিরাজুল ইসলাম আবুল হাওলাদার আমাদের বিভিন্ন সময় হুমকি ধামকি দিয়ে আসছিলো। তারা পরাজিত হয়ে গতকাল আমাদের ১৫টি বাড়িঘর দোকানপাটে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট করে। এতে আমাদের ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে এবং রাসেল মাতুব্বরের পিতা আঃ রশিদ মাতুব্বর (৭০) কে পিটিয়ে মারাত্বক জখম করে। তিনি জানান, আবুল-রুবেল ও সোহেল সন্ত্রাসী চক্র এলাকার নিরহ মানুষদের জিম্মি করে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আগামী উপজেলা নির্বাচন একতরফা করতে চায়। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং দোষীদের আইনগত শাস্তি চাই।

এসময় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজল কৃষ্ণ দে বলেন, আগামী নির্বাচনে মাদারীপুরের জনগণ যাতে স্বত:স্ফুর্ত ভোট দিতে না পারে ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে না পারে। সেই নির্বাচন কে সামনে রেখে একটি মহল, যারা নাকি এই নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে আপনাদের সামনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। একটি পরিবারের প্রার্থী আমি মনে করি। সে কোন দল বা মাদারীপুরের সুধী সমাজের প্রার্থী না। চিহ্নিত একটি পরিবারের প্রার্থী। তিনি আরো বলেন, নিজস্ব ব্যক্তির পক্ষে ভোট চাইতে পারবে না এবং কোন প্রচার কাজে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। কিন্তু আমাদের দলীয় সিদ্ধান্তকে ভায়োলেট করে মাদারীপুরের একজন চিহ্নিত ব্যক্তি ও সম্মানি ব্যক্তি মাদারীপুরের গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্তমান এমপি শাজাহান খান তার ছেলে কে এই নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে দাড় করিয়েছে।

জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র খালিদ হোসেন ইয়াদ বলেন, দুই বারের সাবেক ভিপি, একবার এজিএস ও ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বন্ধুবর পাভেলুর রহমান শফিক খান তিনি একজন প্রার্থী। জেলার একজন বিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হিসেবে জেলার আওয়ামী লীগের সকলেই তাকে সমর্থন করেছে। যেহেতু রাজনৈতিক দল কেন্দ্রীয় ভাবে উন্মুক্ত করে দিয়েছে। আর এদিকে স্থানীয় এমপি সাবেক মন্ত্রী শাজাহান খান একটি স্থানে সাংবাদিকদের সামনে ছেলেকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে দিয়েছেন। তিনি আরোও বলেন, আবুল চেয়ারম্যান গং চিটিং করে কুলপদ্বী এলাকায় মিটিং করে এই এলাকায় হুমকি ধামকি ভাংচুর চালিয়েছে। তিনি আরো বলেন, গত মাদারীপুর ৩ আসনের নির্বাচনে আসিব খান আমরা লক্ষ্য করেছি খোয়াজপুর একটি কেন্দ্রে বলেছেন ‘ভোট দিলে দিবেন, না দিলে গলা নামিয়ে দিবো।’ সেই ছেলে প্রার্থী হওয়ার কারণে তার কর্মকান্ড এই মুহুর্তে মাদারীপুরের মানুষ অবাধ নিরপেক্ষ শান্তিপূর্ণ ভোট অংশগ্রহণ করতে গেলে, তাকে সংশোধন করা না গেলে। এই ধরণের সন্ত্রাসকে নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে আগামী নির্বাচন স্বত:স্ফুর্ত অংশগ্রহণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যা চেয়েছেন আমি মনে করি প্রার্থীর নির্বাচন থেকে প্রত্যাহার করা উচিত।

 সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পাভেলুর রহমান শফিক, ইলিয়াস আহমেদ হাওলাদার, আওয়ামী নেতা মোস্তফা কামালী, হামলায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্য সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজল কৃষ্ণ দে বলেন, আগামী নির্বাচনে মাদারীপুরের জনগণ যাতে স্বত:স্ফুর্ত ভোট দিতে না পারে ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে না পারে। সেই নির্বাচন কে সামনে রেখে একটি মহল, যারা নাকি এই নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে আপনাদের সামনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। একটি পরিবারের প্রার্থী আমি মনে করি। সে কোন দল বা মাদারীপুরের সুধী সমাজের প্রার্থী না। চিহ্নিত একটি পরিবারের প্রার্থী। তিনি আরো বলেন, নিজস্ব ব্যক্তির পক্ষে ভোট চাইতে পারবে না এবং কোন প্রচার কাজে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। কিন্তু আমাদের দলীয় সিদ্ধান্তকে ভায়োলেট করে মাদারীপুরের একজন চিহ্নিত ব্যক্তি ও সম্মানি ব্যক্তি মাদারীপুরের গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্তমান এমপি শাজাহান খান তার ছেলে কে এই নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে দাড় করিয়েছে।

মন্তব্য করুন