প্রকাশিত: ৩ জুন, ২০২৪, ০৮:৫৫ এ এম
অনলাইন সংস্করণ
কুড়িগ্রামের চর রাজিবপুর উপজেলায় পাওনা টাকা আদায়ের নামে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার দুই আসামির মধ্যে প্রধান আসামি জয়নাল আবেদীন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
রবিবার (২ জুন) আসামিদের কুড়িগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (রাজিবপুর আমলি) নিলে প্রধান অভিযুক্ত আসামি জয়নাল স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) হুমায়ুন কবির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আদালত সূত্র জানায়, গ্রেফতার দুই আসামিকে রবিবার রাজিবপুর আমলি আদালতে নেওয়া হলে জয়নাল আবেদীন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবু তালেব মিয়া আসামির জবানবন্দি নথিভুক্ত করেন। পরে আসামি জয়নাল আবেদীন ও আলম মিয়াকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।
জিআরও হুমায়ুন বলেন, ‘ আসামিদের কুড়িগ্রাম কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’
এর আগে চর রাজিবপুর উপজেলায় পাওনা টাকা আদায়ের নামে দিনের পর দিন সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন এক গৃহবধূ। এ ঘটনায় স্বামী সহ মামলা করতে গেলেও থানায় ঢুকতে না পেরে ফিরে যান তারা। স্থানীয় মাতব্বরদের কাছে বিচার চেয়েও না পেয়ে ক্ষোভ আর অভিমানে বিষপান করেন ওই দম্পতি। পরে ওই গৃহবধূর মৃত্যু হয়।
গণমাধ্যমে এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ হলে নড়েচড়ে বসে থানা পুলিশ। বিষপানের ৭ দিন পর নিহতের মামা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে চার জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন।
এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত অাসামি জয়নাল কসাই ও তার এক সহযোগি আলম কসাইকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে শুক্কুর আলী ও সোলায়মান নামে অপর দুই আসামি এখনও পলাতক রয়েছেন। আসামিরা পেশায় সবাই কসাই।
মন্তব্য করুন